ইউনিয়ন জুড়ে চুরির ঘটনা, নেই কোনো সমাধানের তৎপরতা। সারাদেশ

বকশিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ চৌর্যবৃত্তি খুবই প্রাচীন পেশা। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে চৌর্যবৃত্তির সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। নগর থেকে গ্রামে, সরকারি আমলা থেকে শুরু করে সকল পেশায় কমবেশি চৌর্যবৃত্তির আভাস পাওয়া যায়। বিশ্ব আধুনিক হওয়ায় চৌর্যবৃত্তির নতুন নতুন ক্ষেত্রও যেমন উন্মোচন হয়েছে তেমনি প্রসারিত হয়েছে চৌর্যবৃত্তির পরিমাণও । নব্বই দশক বা একবিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকে গরু চুরির ঘটনা গ্রামাঞ্চলে নিত্য দিনের ব্যাপার ছিল। কিন্তু ২০২৩ সালে গরু চুরির ঘটনা নিঃসন্দেহে প্রহসনের মত মনে হয়। কারণ, বর্তমানে সচেতন নাগরিক ও দক্ষ প্রশাসন থাকা সত্ত্বেও যখন গরু চুরির ঘটনা ঘটে তখন তা প্রহসন বৈ কিছু নয়। 

সম্প্রতি এমনই ঘটনা ঘটছে জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নে। যারা খাইরুন সুন্দরির উপাখ্যান শুনেছেন তারা নিশ্চয় মেরুরচর ইউনিয়ন চিনে থাকবেন। অত্র ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক।

ইউনিয়নস্থ নাগরিকদের মতানুসারে, সিদ্দিক এর পূর্বসূরি যথাক্রমে মাহবুবুর রহমান মাহবুব, গোলাম মাওলা এবং জাহিদুল ইসলাম জেহাদের আমলে অত্র ইউনিয়নে গরু চুরির হার ছিল শূণ্য। কিন্তু বর্তমান চেয়ারম্যান এর আমলে ইউনিয়নের চরাঞ্চলে গরুর চুরির ঘটনা ঘটছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাদারের চর গ্রামের একজন বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি আলোকবাণীকে জানান, "বর্তমান চেয়ারম্যান অদূরদর্শী, অনভিজ্ঞ ও তরুন যুবা। যার কারণে ইউনিয়নের নাগরিকদের সমস্যা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নয়।"

চিত্রঃ সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক (সংগৃহীত)

প্রসঙ্গত, মাদারেরচর গ্রামে বেশ কিছুদিন আগে কমপক্ষে চারটি গরু চুরির ঘটনা ঘটে। এরপর ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিভিন্ন বাজারে তল্লাশি চালিয়ে কয়েকটি গরু উদ্ধার করা হয়। 

আবার ইউনিয়নস্থ আইরমারী মন্দিপাড়া গ্রামেও ছোট খাটো চুরির ঘটনা ঘটেছে ৷ কিন্তু চৌর্যবৃত্তি নির্মূলে কোনো উদ্যোগ নিতে দেখা যাচ্ছেনা অত্র ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিককে।  

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মন্তব্য করুন (0)

নবীনতর পূর্বতন